কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ৬ আগস্ট, ২০২৫ এ ০৭:১৯ PM

এনআইবি-তে "জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস" যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন ও শহীদ শ্রাবণ গাজীকে মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান

কন্টেন্ট: খবর প্রকাশের তারিখ: ০৬-০৮-২০২৫ আর্কাইভ তারিখ: ০১-০১-২০৩১

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ঘোষিত “জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস” ২০২৫ উপলক্ষে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি (এনআইবি)-তে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে পালন করা হয়।
সকাল ৬:০০টায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা করা হয়। এরপর শহীদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এনআইবির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. মোঃ ছগীর আহমেদ। এই পর্যায়ে, শহীদ শ্রাবণ গাজীকে মরণোত্তর সম্মাননা ও তাঁর পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন এনআইবির মাননীয় মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. মোঃ ছগীর আহমেদ। এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন শহীদ শ্রাবণ গাজীর পিতা জনাব আব্দুল মান্নান গাজী, ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।
পরে মাসব্যাপী "জুলাই গণঅভ্যুত্থান"-এর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরার লক্ষ্যে এনআইবি চত্বরে ছবি ও পোস্টার প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। একই দিনে প্রতিষ্ঠানের প্রাঙ্গণে স্মারক বৃক্ষ রোপণ করা হয়, যা এই দিবসের চেতনাকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। দিবসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল “জুলাই স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা”। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে শহীদ শ্রাবণ গাজীর পিতা জনাব আব্দুল মান্নান গাজী বলেন, “আমার ছেলে শ্রাবণ শুধু আমার সন্তান নয়, সে সমগ্র বাংলাদেশের সন্তান। সে গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের জন্য জীবন দিয়েছে। তাঁর এই আত্মত্যাগ যেন বৃথা না যায়, সে জন্য আমরা সবাই মিলে কাজ করব।”
এনআইবির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. মোঃ ছগীর আহমেদ তাঁর বক্তব্যে বলেন, “জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ আমাদের অনুপ্রেরণার উৎস। আমরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মাধ্যমে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যে বাংলাদেশের স্বপ্ন তাঁরা দেখেছিলেন।”
এদিন “জুলাই শহীদ স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট”-এর ফাইনাল ম্যাচ ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন