কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ১০ এপ্রিল, ২০১৮ এ ০৮:১৭ AM

ফিশারিজ ল্যাব হোম

কন্টেন্ট: পাতা

ফিশারিজ ল্যাব হোম প্রকল্প জনবল প্রকাশনা যোগাযোগ

পুষ্টি, কর্মসংস্থান এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে মৎস্যসম্পদের অবদান গুরুত্বপূর্ণ। দেশের প্রানিজ আমিষের মোট চাহিদার প্রায় ৬০ শতাংশ যোগানদাতা মৎস্য। বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাহিদা মেটাতে দেশের প্রাকৃতিক মৎস্যসম্পদের উপর সীমাহীন চাপ সৃষ্টি হয়েছে যার ফলে প্রাকৃতিক মৎস্যসম্পদ হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়েছে। জীবপ্রযুক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে মৎস্যসম্পদের সংরক্ষণ, উন্নত জাত ও অধিক উৎপাদনশীল মৎস্য প্রজাতির উন্নয়নের মাধ্যমে এ অবস্থা থেকে উত্তরন সম্ভব। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি বাংলাদেশের মৎস্যসম্পদের উপর জিনতাত্ত্বিক গবেষণার লক্ষ্যে ফিশারিজ বায়োটেকনোলজি বিভাগ চালু করে। এই বিভাগের মূল উদ্দেশ্য জীবপ্রযুক্তির কৌশল প্রয়োগের মাধ্যমে মাছের জিনগত বৈশিষ্ট্য জানা, প্রজননের জন্য মার্কারের মাধ্যমে উন্নত জাত নির্ধারন, বিভিন্ন রোগের উৎস সনাক্তকরণ ও প্রতিকারের ব্যবস্থা গ্রহণ, সাইটোজেনেটিক গবেষণা এবং বিপন্ন ও বিলুপ্তপ্রায় মৎস্য প্রজাতির সংরক্ষণ করা।

 

গবেষণা ক্ষেত্র

 

  • বাংলাদেশের মৎস্যপ্রজাতি সমূহের জেনেটিক এবং সাইটোজেনেটিক গবেষণা;
  • মৎস্য রোগের প্রতিকার ও নিয়ন্ত্রন।

 

উদ্দেশ্য

 

  • বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ মৎস্য প্রজাতির মাইক্রোস্যাটেলাইট মার্কার উদ্ভাবন;
  • দেশীয় মৎস্য প্রজাতির সাইটোজেনেটিক গবেষণা;
  • বাংলাদেশের বিলুপ্তপ্রায় মাছসমূহের জীন ব্যাংক তৈরি
  • কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে মাছের পোনা উৎপাদন।

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন