কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ১৬ জুলাই, ২০২৫ এ ১১:৩৩ PM
কন্টেন্ট: খবর প্রকাশের তারিখ: ১৬-০৭-২০২৫ আর্কাইভ তারিখ: ০১-০১-২০৩১
সাভার, ১৬ জুলাই ২০২৫: আজ সকাল ১১:৩০ টায় ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি (এনআইবি) প্রাঙ্গণে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে জুলাই শহিদ দিবস ২০২৫ পালন করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা, শহিদ স্মৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনআইবি'র মহাপরিচালক ড. মোঃ সগীর আহমেদ, এবং অনুষ্ঠানটি সমন্বয় করেন ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ মাহমুদ হাসান। এনআইবি’র সকল বিজ্ঞানী, কর্মকর্তা, গবেষক ও কর্মচারীবৃন্দ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মোঃ সগীর আহমেদ বলেন, “জুলাই আন্দোলন ২০২৪ বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের দাবিতে দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন। সেই আন্দোলনে যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাদের আত্মত্যাগ জাতিকে চিরকাল অনুপ্রাণিত করবে।”
ড. মোঃ মাহমুদ হাসান তাঁর বক্তব্যে বলেন,
“জুলাই শহিদ দিবস আমাদের জন্য এক মূল্যবান শিক্ষা যেখানে ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠায় আত্মত্যাগের গুরুত্ব স্পষ্ট হয়। এই চেতনার ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আমাদের সকলকে সম্মিলিতভাবে উন্নত ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে কাজ করে যেতে হবে।” অনুষ্ঠানে শহিদদের আত্মত্যাগ স্মরণ করে গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয় এবং তাদের শান্তি কামনায় দোয়া করা হয়। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়, যা শহিদদের প্রতি এক প্রকার শ্রদ্ধাঞ্জলি হিসেবে বিবেচিত। জুলাই শহিদ দিবস ২০২৫-এর তাৎপর্য নিয়ে আলোচনায় বলা হয়, জুলাই আন্দোলন ২০২৪ গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের দাবিতে সাধারণ মানুষের জাগরণের প্রতীক। সেই আন্দোলনে শহিদ বীর সন্তানরা যে আত্মত্যাগ করেছেন, তা জাতিকে চিরকাল ন্যায়, মানবতা ও কল্যাণের পথে অগ্রসর হতে উদ্বুদ্ধ করবে। অনুষ্ঠানে শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে নীরবতা পালন করা হয় এবং সমগ্র কর্মসূচি এক শৃঙ্খলাপূর্ণ ও হৃদয়স্পর্শী পরিবেশে সম্পন্ন হয়।